মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার

জেলা প্রশাসনের সিটিজেন চার্টার

শাখার নাম: ভিপি সেল
নাগরিক সেবা

 

ভি,পি সেল র সিটিজেন চার্টারঃ

 

ক) চুয়াডাঙ্গ পৌরসভা এলাকার অর্পিত সম্পত্তির একসনা লীজ/লীজ নবায়ন।

খ) জেলা  ও উপজেলার অর্পিত সম্পত্তি সংক্রামত্ম দেওয়ানী মামলা ও মহামান্য হাইকোর্টের সরকারি মামলা সংক্রামত্ম পত্রালাপ।

গ)  অর্পিত সম্পত্তি সংক্রামত্ম বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সাথে পত্রালাপ।

ঘ) উপজেলা পর্যায়ে অর্পিত সম্পত্তি সংক্রামত্ম লীজসহ যাবতীয় আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তি।

ঙ) নবায়নের দরখাসত্ম এর প্রতিটির জন্য কোর্ট ফি বাবদ- ১০/- টাকা ।

চ) শাখার যে কোন সমস্যা  উক্ত শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো ।

শাখার নাম: ফরমস ও স্টেশনারী
নাগরিক সেবা
 
শাখার নাম: আরএম
নাগরিক সেবা

 

 রাজস্ব মুন্সিখানা শাখা কর্তৃক সিটিজেন চার্টারঃ

ক্র/নং

সেবার নাম/ধরণ

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

মন্তব্য/সময়সীমা

০১।

দেওয়ানী মামলা সংক্রান্ত ও

মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের সিভিল রিভিশন/

রীট মামলা সংক্রান্ত।

১)সরকার পক্ষে দেওয়ানী মামলা পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয়াদি।

২)সরকার পক্ষে দেওয়ানী মামলার দফাওয়ারী প্রতিবেদন প্রেরণ সংক্রান্ত বিষয়াদি।

৩।সরকার পক্ষে দেওয়ানী আপিল মামলা দায়ের সংক্রান্ত বিষয়াদি।

৪) সরকারি কৌসুলি/অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি/সহযোগী সরকারি কৌসুলি নিয়োগ ও ভাতা প্রদান সংক্রান্ত বিষয়াদি।

৫)  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব)বরাবরে দায়েরকৃত আপিল মামলা গ্রহণ,শুনানী ও নিষ্পত্তিকরণ সংক্রান্ত বিষয়াদি।

৬) দেওয়ানী আপিল মোকদ্দমায় সরকারের বিপক্ষে রায় ঘোষিত হলে বিজ্ঞ সরকারি কৌসুলি কর্তৃক মামলার রায়ের কপি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সংগ্রহ পূবক সিভিল রিভিশন মামলা দায়েরের জন্য বিজ্ঞ সলিসিটর মহোদয়ের নিকট প্রেরণ।

৭) মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সিভিল রিভিশন/রিট  পিটিশন মামলা সংক্রান্ত বিষয়াদি।

সংশ্লিষ্ট উপজেলা হতে মামলার আরজি  ভিত্তিক দফাওয়ারী জবাব ও সংশ্লিষ্ট কাগজাদি প্রাপ্তির ০৩ দিনের মধ্যে বিজ্ঞ সরকারি কৌসুলি/বিজ্ঞ উপ সলিসিটর মহোদয়ের নিকট প্রেরণ।

 

 

 

 

 

 

 

০২।

স্ট্যাম্প ভেন্ডার

শিপ লাইসেন্স সংক্রান্ত

১) আবেদনপত্র জমা হবার ৩ কর্মদিবসের মধ্যে উপস্থাপন।

২) সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহ থেকে প্রতিবেদন প্রাপ্তির ০৩ কায্যদিবসের মধ্যে উপস্থাপন।

৩)  আবেদনপত্র নাকচ হলে আবেদনকারীকে (উপস্থিত মতে) অবহিতকরণ।

৪)     লাইসেন্স ফি ১৫০০ টাকা

     # কোর্ট ফি এর জন্য ৭৫০ টাকা

       খাত = ১/২১৪২/০০০০/১৮১১

     # স্ট্যাম্প  এর জন্য ৭৫০ টাকা

       খাত =  ১/১১০১/০০২০/১৩০১

     # সোনালী ব্যাংক চুয়াডাঙ্গা শাখা চালানের 

       মাধ্যমে জমা দিতে হবে।  

৫)     লাইসেন্স নবায়ন ফি = ১০০০ টাকা

     # কোর্ট ফি এর জন্য ৫০০ টাকা

       খাত = ১/ ২১৪২/০০০০/ ১৮১১

     #   স্ট্যাম্প  এর জন্য ৫০০ টাকা

          খাত =  ১/ ১১০১/ ০০২০/ ১৩০১

     #   সোনালী ব্যাংক চুয়াডাঙ্গা শাখা  

           চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

আবেদনপত্র মঞ্জুর হলে এবং তদন্ত প্রতিবেদন লাইসেন্স প্রদানের স্বপক্ষে হলে  ৩ কায্যদিবসের মধ্যে লাইসেন্স ইস্যুর ব্যবস্থা গ্রহণ ।

 

০৩।

আমমোক্তার

নামা

 রি- স্ট্যাম্পিং  সংক্রান্ত

১) আমমোক্তার নামা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কতৃক সিল স্বাক্ষরের ৯০ দিনের মধ্যে  জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট দাখিল ।

২)  আবেদনপত্র ও আমমোক্তারনামার মূল কাগজপত্র ৩ কায্যদিবসের মধ্যে উপস্থাপন।

৩)  পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট  উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক যাচাইয়ের জন্য ১৫ কায্যদিবসধায্ক্রমে প্রেরণ।

৪)  যাচাই প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৩ কর্মদিবসের মধ্যে উপস্থাপন।

 

আঠালো স্ট্যাম্প ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয়ের স্বাক্ষরের অব্যবহিত পরে চাহিবামাত্র সরবরাহের ব্যবস্থা।

০৪।

বিবাহিত/

অবিবাহিত

 সনদ  প্রদান।

 বিবাহিত/ অবিবাহিত সনদ প্রাপ্তির  জন্য কোড নং ১/২২০১/০০০১/২৬৮১ খাতে নির্ধারিত ফি  ৭,৫০/- টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমাদানপূর্বক আবেদনের প্রাপ্তির ১ দিনের মধ্যে  পুলিশ সুপার জেলা বিশেষ শাখা চুয়াডাঙ্গা নিকট তদন্তক্রমে প্রতিবেদনের জন্য প্রেরণ করা হয় ।

পুলিশ সুপার জেলা বিশেষ শাখা, চুয়াডাঙ্গা হতে প্রতিবেদন প্রাপ্তির ০২ দিনের মধ্যে সনদ প্রদান করা হয়।

০৫।

অবমূল্যায়ন মামলা সংক্রান্ত

১) আবেদনকারী সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারীর  সাথে যোগাযোগ করে টাকার পরিমান ও চালানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হেড এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোন ব্যাংকের কত নং হিসাবে জমা দিতে হবে তা জেনে নিবেন।

 

  অফিস সহকারী টাকা জমা দেয়া সংক্রান্ত চালান/জমা রশিদ প্রাপ্তির ০১ দিনের মধ্যে  উপস্থাপন করবেন।

০৬।

বিনিময় মামলা সংক্রান্ত

বিনিময় মামলা সংক্রান্ত বিষয়গুলো যাচাই বাছাই ও পরীক্ষা-নিরীক্ষান্তে উপস্থাপন করা ।

 

শাখার নাম: এলএ
নাগরিক সেবা

 

ক্রঃ নং

সেবার নাম

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রদানের সময়সীমা

নিদিষ্ট সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে প্রতিকারের বিধান।

০১।

ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত কার্যক্রম

প্রত্যাশী সংস্থার নিকট হতে এল এ ম্যানুয়েল এর বিধানমতে সংশ্লিষ্ট সকল কাগজাদি সঠিক ভাবে প্রাপ্ত হলে প্রস্তাবিত ভূমি এল, এ ম্যানুয়েল এর সকল বিধান অনুসরণ পূর্বক অধিগ্রহণ করে প্রত্যাশী সংস্থার নিকট দখল হস্তান্তর করা হয়।

স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল অধ্যাদেশ ১৯৮২ (অধ্যাদেশ নং ২, ১৯৮২) এবং স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ম্যানুয়েল ১৯৯৭ এর নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে

প্রস্তাবে কোন ভূল ত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের জন্য প্রত্যাশী সংস্থার সহিত যোগাযোগ ক্রমে পূর্নাঙ্গ ও সঠিক প্রস্তাব প্রাপ্তি সাপেক্ষে অধিগ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

০২

অধিগ্রহণে সংশ্লিষ্ট ভূমির মূল্য নির্ধারণ

প্রত্যাশী সংস্থার নিকট থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর প্রস্তাবিত ভূমির মূল্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার হতে সংগ্রহ পূর্বক নির্ধারন করা হয়।

অধিগ্রহণ সংক্রান্ত সভায় তা উপস্থাপনের পর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

০৩

ক্ষতিপূরণ পরিশোধ

আবেদনকারী যথানিয়মে মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজাদিসহ আবেদন করার পর তার আবেদন সঠিক পাওয়া গেলে নির্ধারিত ক্ষতিপুরনের টাকা পরিশোধ করা হয়।

কোন আপত্তি পাওয়া গেলে কিংবা স্বত্বের বিষয়ে কোন জটিলতার উদ্ভব হলে তা আইনানুগভাবে নিস্পত্তি হওয়ার পর ক্ষতিপূরনের টাকা পরিশোধ করা হয়।

০৪।

ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমে অভিযোগ/ আপত্তি নিস্পত্তি করণ

ভূমি মালিকানা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ থাকলে তা শুনানীর মাধ্যমে নিস্পত্তি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

চুড়ান্ত নিস্পত্তির পর।

আপত্তি পাওয়া গেলে কিংবা স্বত্বের বিষয়ে কোন জটিলতার উদ্ভব হলে তা আইনানুগভাবে নিস্পত্তি করা হয়।

অধিগ্রহণকৃত ভূমির ক্ষতিপুরণের টাকা পাওয়ার জন্য আবেদনের সাথে যে সকল কাগজাদি/ তথ্যাদি কাখিল করতে হবেঃ

এতদ্বারা চুয়াডাঙ্গা জেলার আওতাভূক্ত অধিগ্রহণকৃত ভূমির মালিক/ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণকে জানানো যাচ্ছে যে, ক্ষতিপুরনের টাকা ভূমি অধিগ্রহণ দখল শাখা হতে উত্তোলনের পূর্বে স্বত্ব প্রমানের লক্ষ্যে আবেদনের সাথে নিম্নবর্ণিত কাগজাদি/ তথ্যাদি জমা দিতে হবে।

১. এস, এ খতিযানের সহি মোহর যুক্ত অবিকল নকল।

২. নামজারী খতিয়ান (মূলকপি)

৩. তসদিককৃত খতিয়ানের/চলমান জরীপের মাঠ পর্চার কপি (মূল কপি)

৪. হাল সন পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের দাখিলা (মূল কপি)।

৫. বায়া দলিলসহ মূল দলিল/সার্টিফাইড কপি।

৬. মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ পৌর মেয়র কর্তৃক ওয়ারিশ সার্টিফিকেট (মূল কপি)

৭. সং&&শ্লষ্ট স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ পৌর মেয়র কর্তৃক জাতীয়তা সার্টিফিকেট

৮. সংশ্লিষ্ট স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ পৌর মেয়র কর্তৃক ক্ষমতা দাতা ও গ্রহীতাগনের প্রত্যেকের ০১(এক) কপি করে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ফটো।

৯. ১৫০/- টাকার নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পের মধ্যে চেয়ারম্যান/ ওয়ার্ড কমিশনার এর সন্মূখে শরীকদের ব্যক্তিগত উপস্থিতিতে শরীকগণ কর্তক প্রতি পৃষ্ঠায় স্বাক্ষর। উল্লেখ্য যে, একক মালিক এর জন্য ক্ষমতাপত্র লাগবে না।

১০. ক্ষমতা দাতা ও গ্রহীতাগণকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি ও আমার সন্মূখে স্বাক্ষর করিয়াছে মর্মে স্থানীয় চেয়ারম্যান/ মেয়র ক্ষমতাপত্রের প্রতি পৃষ্ঠায় নামের সীলসহ প্রত্যায়ন প্রদান করিবেন।

১১. ক্ষতিপুরনের এল,এ চেক গ্রহণের সময় সনাক্তকরণের জন্য নামের সীলসহ মেয়র/ চেয়ারম্যান/ কাউন্সিলর/ গনমান্য ব্যক্তি সংগে আনতে হবে।

১২. জমির মালিক প্রবাসী হইলে ক্ষমতা গ্রহীতার বরাবরে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে আমমোক্তার নামা দাখিল করতে হবে এবং উক্ত আমমোক্তার নামাটি পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে সরকারি ভাবে অত্র অফিসে প্রাপ্ত দিতে হবে।

১৩. চেক গ্রহণের পূর্বে ১৫০/- টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিতে হবে।

১৪. পারিবারিক সম্পত্তি আপোষ বন্টণনামার ক্ষেত্রে রেজিষ্টার্ড আপোষ বন্টণনাম। আবেদনের সাথে অত্র কার্যলয়ে সংরক্ষণের জন্য উপরে বর্ণিত কাগজপত্রাদি এর মূল কপির সাথে ফটোকপি দাখিল করতে হবে।

শাখার নাম: এসএ
নাগরিক সেবা

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদবীঃ রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর

ক্রঃ নং

সেবার নাম

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রদানের সময়সীমা

নির্দিষ্ট সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে প্রতিকারের বিধান

০১।

কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান অনুমোদন

কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা, ১৯৯৭ মোতাবেক উপজেলা কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত ভূমিহীনদের অনুকূলে বন্দোবস্ত নথি সৃজনক্রমে এ অফিসে প্রেরণ করা হয়। প্রাপ্ত নথি/নথিসমূহ পরবর্তী মাসিক কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটির সভায় উপস্থাপিত হয়। সৃজিত নথিতে কোন ত্রুটি না থাকলে জেলা কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটির সভায় অনুমোদিত হয়।

জেলা কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটির সভায় অনুমোদনের পর পরবর্তী ০৭ কার্য দিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলায় পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য নথি।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে

অবহিত করা।

০২।

অকৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রসত্মাব অনুমোদন

অকৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা, ১৯৯৫ মোতাবেক অকৃষি খাস জমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান / সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনক্রমে বন্দোবস্ত প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে। ঐ সকল বন্দোবস্ত নথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হতে পাওয়ার পর নীতিমালা মোতাবেক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাঃ) যুক্তিসংগত সময়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। বন্দোবস্ত প্রদানে সরকারের কোন স্বার্থের হানি না হলে নথি চূড়ান্ত অনুমোদনের নিমিত্ত ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়।

নীতিমালায় এ সংক্রান্ত কোন সময় নির্ধারণ করা হয়নি। কোন ত্রুটি কিংবা কারো কোন আপত্তি না থাকলে দ্রুততার সাথে ভূমি মন্ত্রণালয়ে নথি প্রেরণ করা হয়। ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হলে অত্রাফিসে কেস নথি গৃহীত হবার পরবর্তী ০৭ (সাত) কার্য দিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের জন্য নথি সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিসে প্রেরণ করা হয়।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে

অবহিত করা।

০৩।

বাজার ভিটি একসান লীজ

বাজার ভিটি একসনা লীজ নথি সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিসে সৃজিত হয়। প্রকৃত ব্যবসায়ীর অনুকূলে ০.০০৫০ (আধা শতক) একর ভূমি একসনা ভিত্তিতে লীজ প্রদানের বিধান রয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) / উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশ্চিত হয়ে অনুমোদিত পেরিফেরি ভূক্ত বাজার ভিটি লীজের প্রস্তাব এ অফিসে প্রেরণ করেন।

এ বিষয়ে সরকারি কোন সময় নির্ধারণ করা নেই। কোন অভিযোগ কিংবা নথিতে কোন ত্রুটি না থাকলে ০৭ (সাত) দিনের মধ্যে নথি অনুমোদনক্রমে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিসে ফেরত দেওয়া হয়।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে

অবহিত করা।

০৪।

সায়রাত মহাল জলমহাল বালুমহাল ইজারা

২০ একরের উর্দ্ধের জলমহাল, ট্রানজিটমহাল ও যে কোন আকারের বালুমহাল এ কার্যালয় হতে ইজারা প্রদান করা হয়। দরপত্র প্রাপ্তির পর বালুমহাল সংক্রান্ত জেলা আমত্মঃ সংস্থা কমিটিতে পেশ করা হয়। এ কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত হলে ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। জলমহাল ইজারা সংক্রান্ত বিষয়ে বিগত ৩ বৎসরের ইজারা মূল্যের গড় হতে ৫% অধিক হারে বিবেচ্য বৎসরের ইজারামূল্য নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর নথিপত্র ফেরত পাবার পরবর্তী ০৭ (সাত) কার্য দিবসের মধ্যে ইজারামূল্য পরিশোধ সাপেক্ষে চুক্তিপত্র সম্পাদন করে ইজারাদারকে দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে

অবহিত করা।

০৫।

উচ্ছেদ মামলাঃ (সরকারি ভূমি উদ্ধার)

সরকারি ভূমির অবৈধ দখল উচ্ছেদের লক্ষ্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হতে প্রস্তাব/নথি পাওয়া গেলে ৩ (তিন) কার্য দিবসের মধ্যে নথি পেশ করা হয়। সরকারি প্রচলিত নিয়মানুযায়ী ৭ দিনের সময় দিয়ে অবৈধ দখলকারকে নোটিশ প্রদান করা হয়। অতঃপর অবৈধ দখলকার/ স্থাপনা উচ্ছেদ/ অপসারণের নিমিত্ত আইনানুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়।

পুলিশ ফোর্স প্রাপ্যতা ও সুবিধাজনক সময়ে।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে

অবহিত করা।

০৬।

বিভিন্ন প্রকার আপিল / আপত্তি

সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কোন আপিল/আপত্তি আবেদন পাওয়া গেলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাঃ) এর আদালতে পক্ষদ্বয়ের শুনানীনান্তে এবং তাদের দাবির অনুকূলে প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্রাদি পর্যললোচনা করে রায় প্রদান করা হয়।

পক্ষদ্বয়ের উপস্থিতি এবং দাবির অনুকূলে প্রয়োজনীয় দাখিলকৃত দলিল দসত্মাবেজ পর্যালোচনায় ও শুনানীনান্তে ৭ কার্য দিবসের মধ্যে সিদ্ধান্ত প্রদান করা হয়।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে

অবহিত করা।

০৭।

এস.এ শাখার

অধীনে কর্মরত কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের বিভিন্ন রকম সরকারি প্রাপ্য সুবিধাদি

এস.এ শাখার অধীনে কর্মরত কানুনগো, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী/ উপসহকারী কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার, জারীকারক ও এম.এল.এস.এস গণের টাইমস্কেল, দক্ষতাসীমা, পেনশন সহ সকল প্রশাসনিক কার্যাদি সরকারি নিয়ম নীতি অনুসরণে এ শাখা হতে সম্পাদিত হয়। উপজেলা ভূমি অফিস হতে এ সংক্রান্ত পত্র পাবার পর ৩ কার্যদিবসের মধ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করা হয়।

এ সংক্রান্ত কোন নির্ধারিত সময় নেই। তবে সরকারি বিধিবিধান অনুসরণে তা করা হচ্ছে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের অনুমোদনের পর পরবর্তী ৩ কার্য দিবসের মধ্যে আদেশ/মঞ্জুরীপত্র জারী করা হয়।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে

অবহিত করা।

০৮।

নথি/রেকর্ড

সংরক্ষণ

সরকারি খাস ভূমি স্থায়ী/অস্থায়ী বন্দোবস্ত সংক্রান্ত সকল প্রকার নথি এবং নামজারি জমাখারিজ সংক্রান্ত নথি উপজেলা ভূমি অফিসে সংরক্ষণ করা হয়।

এ সংক্রান্ত সকল তথ্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিসে যোগাযোগ করে জেনে নেয়া যাবে।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে

অবহিত করা।

০৯।

তথ্য, পরামর্শ ও অভিযোগ।

রাজস্ব বিষয়ক অথবা ভূমি সংক্রান্ত যে কোন ধরণের তথ্য, পরামর্শ, অভিযোগ, সমস্যা সরাসরি আরডিসি কিংবা শাখার প্রধান সহকারীর সাথে আলোচনা করে জেনে নেয়া যাবে।

তাৎক্ষণিক।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে

অবহিত করা।

শাখার নাম: কপিংপুল
নাগরিক সেবা

 

কপিংপুল শাখার সিটিজেন চার্টারঃ

 

১। এই শাখার অধিনে (সি.আর.পি.সি মামলার সহীমুহুরী নকল সরবরাহ করা হয়) সংশিস্নষ্ট কোর্টে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর আইনজীবি সহকারি/বাদী,বিবাদী সহিমুহুরী নকলের জন্য আবেদন করবেন। সাধারন আবেদনে ১০/-(দশ) টাকার কোর্ট ফি এবং জরম্নরী আবেদনের সাথে ১৬/-(ষাল) টাকার কোর্ট ফি জমা দিতে হয়।

২। সংশিস্নষ্ট কোর্ট হতে কপিংপুল শাখায় আবেদনসহ নথি প্রেরণ করা হয় ।

৩। নথি সংযুক্ত আবেদন দরখাসত্ম রেজিস্টার ভূক্তক্রমে কোর্ট ফি ও ফলিও হিসাব তৈরী করা হয়।

৪। আইনজীবি সহকারির অথবা আবেদনকারীর নকল প্রস্ত্তত করতে কত টাকার কোর্ট ফি ও ফলিও লাগবে তা জানার অধিকার থাকবে ।

৫। আইনজীবি সহকারি অথবা আবেদনকারী হিসাব মতে কোর্ট ফি/ফলিও কপিংপুল শাখায় জমা দিবেন।

৬। নকল প্রস্ত্ততক্রমে যাচাইঅমেত্ম প্রস্ত্ততকারক ও যাচাইকারক স্বাক্ষর করবেন ও সীল দেবেন।

৭। নকল প্রস্ত্ততক্রমে সংশিস্নষ্ট কোর্টে মূল নথি রেজিস্টারের মাধ্যমে সরবরাহ নিশ্চিত করবেন।

৮। নকল সরবরাহ নিতে আবেদনকারী আবেদনের অপর পৃষ্ঠায় স্বাক্ষর দিয়ে নকল গ্রহণ করবেন।

শাখার নাম: জেনারেল সার্টিফিকেট
নাগরিক সেবা

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদবীঃ জেনারেল সাটির্ফিকেট অফিসার

 

ক্রঃ নং

সেবার নাম

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রদানের সময়সীমা

নিদিষ্ট সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে প্রতিকারের বিধান।

০১।

যাবতীয় সরকারি / আধাসরকারী/ স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা/ প্রতিষ্ঠান সমূহের অনাদায়ী অর্থ আদায়।

সরকরী দাবী আদায় আইন ১৯১৩ সনের বিধান মোতাবেক অর্থ আদায় করা হয়।

আদালতের সন্তুষ্টির সাপেক্ষ্যে যত দ্রুত সম্ভব

মামলা দায়েরের সময় আইনগত কোন ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে সার্টিফিকেট অফিসর দাবী সংশোধনের সুযোগ দিয়ে থাকেন।

শাখার নাম: ট্রেজারি
নাগরিক সেবা

 

ট্রেজারী শাখার সিটিজেন চার্টারঃ

 

ক্রঃ নং

সেবার নাম

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রদানের সময়সীমা

নিদিষ্ট সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে প্রতিকারের বিধান।

০১।

জুডিশিয়াল, নন-জুডিশিয়াল পোস্টাল কার্টিজ পেপার ও অন্যান্য স্ট্যাম্প:

ট্রেজারীচালানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সরকারী খাতে জমাকৃত টাকার বিপরীতে জুডিশিয়াল ও নন- জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প সমূহ জেলা ট্রেজারী হতে জনসাধারণ/ ভোক্তার/প্রতিষ্ঠানের নিকট সরবরাহ করা হয়।

চালার গ্রহণ ও পাশ অফিস চলাকালীন প্রতিদিন ১০.০০ হতে ১.০০টা পর্যন্ত

বিতরণ/সরবরাহঃ

প্রতি কার্য দিবসে অফিস চলাকালীন সময়ে।

সময়সীমা ৪ ঘন্টা

সবকারী ছুটি বা অন্য কোন কারণে যদি অফিস বন্ধ থাকে তা পরবতী কার্য দিবসে সম্পাদন করা হয়।

০২।

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ কর্তক স্মারক ডাক টিকিট প্রাপ্তি স্বীকার সংক্রান্ত

ডাক বিভাগ, ঢাকা হতে স্ট্যাম্প সরবরাহের পর প্রাপ্তি স্বীকারের জন্য চালান প্রেরণ করা হলে যথা সময়ে প্রাপ্তি স্বীকার করা হয়।

সময়সীমা ১ (এক) মাস

 

০৩।

রেভিনিউস্ট্যাম্প

স্থানীয় ডাকঘরের চাহিদা মোতাবেক রেভিনিউ স্ট্যাম্প সরবরাহ করা হয়।

সময়সীমা ১ (এক) মাস

 

০৪।

পোস্টেজ স্ট্যাম্প

স্থানীয় পোস্ট অফিসের চাহিদা মোতাবেক সংশিষ্ট খাতে টেজারী চালানোর বিপরীতে পোস্টেজ স্ট্যাম্প সরবরাহ করা হয়।

সময়সীমা ১ (এক) সপ্তাহ

 

০৫।

সকল ধরনের স্ট্যাম্পের রক্ষণাবেক্ষণ

গণপুর্ত বিভাগের নিদেশনা মোতাবেক ডবল লকের আলমারী/তাকের উপর সকল ধরনের স্ট্যাম্প যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।

সার্বক্ষণিক

 

০৬।

ট্রেজারী থেকে স্ট্যাম্প সরবরাহ

জমাকৃত চালানের বিপরীতে ডাক বিভাগ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, জন সাধারণ ও ভেন্ডারদের ইডেন্ট মোতাবেক স্ট্যাম্পসরবরাহ ও প্রদান করা হয়।

প্রত্যেক কার্য দিবসে

 

০৭।

অন্যান্য বিভাগ কতৃক টেজারীতে মূল্যবান সামগ্রী সংরক্ষণ

অন্যান্য বিভাগের প্রয়োজনে নগদ অর্থ অথবা সীল করা ব্যাগ ইত্যাদি ট্রেজারী রুলস এর এসআর ৫০ বিধি মোতাবেক সংরক্ষণ করা হয়।

০১ মাস বা তদুর্ধ্ব

 

০৮।

স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা বিধান

পি আর বি ২য় খন্ডের ৬৯৫ বিধি এবং ট্রেজারী রুলস ৫২ বিধি মোতাবেক ট্রেজারী নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিত করা হয়।

প্রত্যহ

 

০৯।

জাল স্ট্যাম্প প্রচলন রোধ

জাল স্ট্যাম্প পাওয়া সাপেক্ষে তদন্ত করে উহার সত্যতা যাচাইয়ে জন্য ট্রেজারী অফিসের স্ট্যাম্প বিক্রয় সংশিষ্ট রেজিষ্টারের সাথে বিক্রি স্ট্যাম্পের ক্রমিক নম্বর রেজিষ্টারের নাম ইত্যাদি পরীক্ষা করতে হয় এবং জাল নিশ্চিত হওয়ার জন্য ডাক বিভাগে প্রেরণ করা হয়।

ডাক বিভাগ হতে প্রতিবেদন প্রাপ্তির সাপেক্ষে

 

১০।

বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও মূল্যবান মামলার আলামত সংরক্ষণ।

ক) পরীক্ষা শুরু হওয়ার পূর্ব মূহুত পর্যন্ত বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সমূহ গালাসীল যুক্ত ট্যাংক ট্রজারীতে সংরক্ষণ করা হয়

 

 

 

 

ক) জেলা প্রশাসক কুমিল্লা এর পূর্ব সম্মতি সাপেক্ষে মামলার জব্দকৃত ও মূল্যবান দ্রবাদি গালাসীলযুক্ত অবস্থায় ট্রেজারী অফিসার, চুয়াডাঙ্গা এর তত্বাবধানে সম্পদ সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে।

ক) মালামাল নিয়ে আসার ১ ঘন্টার মধ্যে ট্রেজারী অফিসার ডবল লকে সংরক্ষণ করেন।

খ)মালামাল সরবরাহের ক্ষেত্রে অন্তত ১ দিনে পূর্বে অবহিত করার পরবর্তী কার্য দিবসে ট্রেজারী অফিসার মালামাল সরবরাহ করেন।

যদি কোন কারণে সংশিষ্ট অফিস তাদের রক্ষিত মালামাল সমূহ নিতে ব্যর্থ হল তাহলে সংশিষ্ট অফিসের পুনরায় চাহিদা পত্র মোতাবেক পুনঃ নিধারিত তারিখে অনুসারে মালামাল সরবরাহ করা হয়।

শাখার নাম: তথ্য অভিযোগ ও প্রবাসী কল্যাণ
নাগরিক সেবা

 

তথ্য অভিযোগ ও প্রবাসী কল্যাণ শাখার সিটিজেন চার্টারঃ

 

১. জেলা ও উপজেলার জনগণের অভিযোগ,অনুযোগ সংক্রামত্ম প্রাপ্ত দরখাসেত্মর উপর কার্যক্রম গ্রহণ ।

২. বিদেশ গমনে ইচ্ছুক কর্মীদের নিরাপদে বিদেশ গমনের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান এবং আই.ও.এম কর্তৃক প্রদত্ত বিদেশ গমনে বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক পুসিত্মকা ও লিফলেট বিতরণসহ প্রবাসী বাংলাদেশীদের বিভিন্ন অভিযোগ,অনুযোগ ইত্যাদি বিষয়ে প্রাপ্ত চিঠি পত্রের উপর কার্যক্রম গ্রহণ।

৩. বি,সি,এস পরীক্ষার আবেদনপত্র গ্রহণ ও প্রবেশপত্র ইস্যু করণসহ আবেদনপত্র সরকারী কর্ম কমিশন সচিবালয় প্রেরণ ।

৪. স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডার কমিটিতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের প্রতিনিধি নিয়োগ প্রদান ও অন্যান্য কার্যাবলী  সম্পাদন ।

         

৫. শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপন সম্পর্কিত যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ।

 

৬. তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর ১০ ধারা মতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আপীল কর্তৃপক্ষ নিয়োগ এবং উক্ত আইনের  বিধি- বিধান সংরক্ষণ ও বিতরণ ।

৭. জেলা প্রশাসক মহোদয় কর্তৃক আয়োজিত সপ্তাহের প্রতি বুধবার ‘‘জনগণের সভায়’’ গৃহীত কার্যক্রমের  ফলোআপ নিষ্পত্তি করণ।

শাখার নাম: ত্রাণ ও পুর্নবাসন
নাগরিক সেবা

 

 

ত্রাণ ও পুনবার্সন শাখার সিটিজেন চার্টারঃ

 

১। সরকারি যে কোন বরাদ্দ প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে উপজেলাওয়ারী পুনঃ বিভাজন।

২। সরকারি যে কোন জরম্নরী পত্র প্রাপ্তির ৪৮ ঘন্টার মধ্যে নিষ্পত্তি।

৩। সরকারি যে কোন সাধারণ পত্র প্রাপ্তির ০৭ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি।

 

৪। সরকারি যে কোন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বিষয় অভিযোগ পাওয়ার ০৩ দিনের মধ্যে তদমত্মকারী কর্মকর্তা নিয়োগ।

৫। সকল কর্মকর্তা /কর্মচারীদেরকে সকালঃ ৯.০০ঘটিকা হতে বিকাল ৫.০০ঘটিকা পর্যমত্ম (বেলা ১.০০ থেকে ১.৩০ ঘটিকা পর্যমত্ম খাওয়া ও নামাজের বিরতি বাদে) সকল কার্য দিবসে অফিসে উপস্থিত থাকা ।

৬। যে কোন দুর্যোগ যেমনঃ বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, টর্ণেডো, ভূমিকম্প, অগ্নিকান্ডে সংগঠিত হওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে তথ্য প্রেরণ।

৭। সম্পদ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রসত্ম অসহায়/ অস্বচ্ছল পরিবার/ ব্যক্তির মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ (ব্যবসা/বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নহে)।

ক) মৃত ব্যক্তির পরিবারকে সর্বোচ্চ জিআর খাত হতে ১০,০০০/-টাকা থেকে ২০,০০০/- টাকা বা ৫০০ কেজি আর খাদ্যশস্য (চাল) প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ।

খ) আহত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ৫,০০০/- টাকা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ।

গ) সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রসত্ম ঘর-বাড়ীর ক্ষেত্রে পরিবার প্রতি সর্বোচ্চ ১০,০০০/- টাকা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ।

ঘ) আংশিক ক্ষতিগ্রসত্ম ঘর-বাড়ীর ক্ষেত্রে পরিবার প্রতি সর্বোচ্চ ৫,০০০/- টাকা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ।

ঙ) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রসত্ম পরিবার প্রতি সর্বোচ্চ ২০ (বিশ) কেজি হারে খাদ্যশস্য প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ।

চ) ত্রাণ সামগ্রী যেমনঃ শাড়ী, লুঙ্গী, কম্বল, চাদর, বিস্কুট ইত্যাদি বিতরণ।

ছ) ভিজিএফ কর্মসূচির অধীনে (নির্ধারিত সময়ের জন্য) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রসত্ম দুঃস্থ অসহায় পরিবার প্রতি সর্বোচ্চ ১০ (দশ) কেজি হারে খাদ্যশস্য (চাল) প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ।

৮।  দুর্যোগ সংক্রামত্ম বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠান, দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রচার ।

৯।  বিভিন্ন প্রকার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড নির্ধারিত সময়ে সঠিক গুণগত মান বাসত্মবায়নের লক্ষি্য মনিটরিং করা

১০। গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচির (কাবিখা) মাধ্যমে পুকুর/খালখনন/পুনঃখনন,রাসত্মা নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ

বাঁধনির্মাণ/পুনঃনির্মাণ, নালা ও সেচ নালা খনন/পুনঃখনন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনা ও মাঠে মাটি ভরাট, মাটির কিলস্না নিমার্ণ/ পুনঃ নির্মাণ।

১১। গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণা-বেক্ষণ (টিআর)মাধ্যমে বাঁধ ও রাসত্মা মেরামত, নালা নর্দমা খনন/সংরক্ষণ,বৃক্ষ

রোপন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/জনহিতকরণ প্রতিষ্ঠান মেরামত/ উন্নয়ন করা হয়।

১২। অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি।

১৩। গ্রামীণ রাসত্মায় ছোট-ছোট (১২ মিঃ দৈর্ঘ্য পর্যমত্ম) সেতু কালভার্ট নির্মাণ।

১৪। মোহাজের পুনর্বাসন করা ।


Share with :

Facebook Twitter