মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রেক্ষাপট

চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলে আদি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানা যায় না। মোগল আমলে বাদশাহ থেকে গ্রামের পাটোয়ারী পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ের জন্যে একটি সুবিন্যস্ত প্রশাসনিক কাঠামো ছিল। দেশভাগের পর কুষ্টিয়া জেলা বোর্ড গঠিত হলে চুয়াডাঙ্গা অঞ্চল তার অধীনে আসে। ১৯৫৯ সালে কুষ্টিয়া জেলা কাউন্সিল গঠিত হয়। ১৯৭৬ সালে তা কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ নামে পুনর্গঠিত হয়।

 

লোকাল বোর্ডঃ ১৮৮৫  সালে ৩ নং আইন বলে চুয়াডাঙ্গা মহকুমায় লোকাল বোর্ড গঠন করা হয়। অবিভক্ত বাংলায়  যে ক’টি লোকাল বোর্ড স্থাপিত হয়, চুয়াডাঙ্গা লোকাল বোর্ড ছিল তাদের মধ্যে প্রথম। লোকাল বোর্ডের প্রথম নির্বাচন হয় ১৮৮৬ সালে। চুয়াডাঙ্গা লোকাল বোর্ডের সদস্য ছিল ৯ জন। এর মধ্যে ৬ জন নির্বাচিত, ৩ জন মনোনীত।

          এই লোকাল বোর্ডের কার্যক্রম খুব ব্যাপক ছিল না। কেবল গ্রামীন পথঘাটের ব্যবস্থাপনা, খোয়াড়, ফেরীসমূহ নিয়ন্ত্রণ, সরকারি অনুদান বন্টন ইত্যাদির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। লোকাল বোর্ডের নিজস্ব ক্ষমতা ছিল না, ছিল না কোন আয়ের উৎস। ১৯৩৮ সালে লোকাল সেলফ গভর্ণমেন্ট এ্যাক্ট ১৯১৯ বলে অন্যান্য লোকাল বোর্ডের সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা লোকাল বোর্ডও বিলুপ্ত করা হয়। এই লোকাল বোর্ডের যাবতীয় কার্যাবলী জেলা বোর্ড ও ইউনিয়ন বোর্ডের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়।

 

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভাঃ স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ লোকাল কাউন্সিল এ্যাক্ট মিউনিসিপ্যাল কমিটি (সংশোধনী) আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি চুয়াডাঙ্গা টাউন কমিটি পৌরসভায় উন্নীত হয়। নির্বাচনের আগ পর্যন্ত মহকুমা প্রশাসক একজন চেয়ারম্যান নিযুক্ত করেন। পৌরসভার কার্যক্রম আগের মতোই অব্যাহত থাকে এবং প্রয়োজনে নতুন কার্যক্রম গ্রহণের ব্যবস্থা রাখা হয়। আগের কর্মচারীগণকেও স্ব স্ব পদে বহাল রাখা হয়।

          চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে। প্রথম পৌর চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মুন্সী। চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় শ্রেণীতে এবং ১৯৯৫ সালে প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত হয়। চুয়াডাঙ্গা টাউন কমিটি ও পৌরসভায় যাঁরা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেনঃ

 

আব্দুল মালেক মুন্সী ১৯৬৫-৭০

শাহাদৎ আলী মুন্সী ১৯৭১

আল্লা হাফিজ মিয়া ১৯৭২ (রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত)

মোস্তফা আনোয়ার মোহাম্মদ (মহকুমা প্রশাসক; ভারপ্রাপ্ত পৌর প্রশাসক)

আব্দুল মালেক মুন্সী ১৯৭৩-৭৭

দাউদ হোসেন ১৯৭৭-৮২ (সড়ক দুর্ঘটনায় দাউদ হোসেনের মৃত্যু হলে কমিশনার

মতিয়ার রহমান ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন।)

অহিদুল ইসলাম বিশ্বাস ১৯৮৪-৮৮

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ১৯৮৮-৮৯ সালে পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন।

একরামুল হক জোয়ার্দ্দার (শান্তি মিয়া) ১৯৮৯-৯২

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ১৯৯২-৯৩ সালে পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন।

অহিদুল ইসলাম ১৯৯৩-২০০২

আশরাফ আলী ২৮/০৩/২০০২—২৭/০২/২০০৮।